শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
---

Newsadvance24
রবিবার ● ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » রায়পুরে নেশাগ্রস্ত যুবকের দেয়া আগুনে ১৭ বসতঘর-দোকান পুড়ে ছাঁই
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » রায়পুরে নেশাগ্রস্ত যুবকের দেয়া আগুনে ১৭ বসতঘর-দোকান পুড়ে ছাঁই
৬৪ বার পঠিত
রবিবার ● ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

রায়পুরে নেশাগ্রস্ত যুবকের দেয়া আগুনে ১৭ বসতঘর-দোকান পুড়ে ছাঁই

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

---

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১টি বসতঘর ও ৬ টি দোকান পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। এতে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালামাল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন কয়েকটি পরিবার। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় তিন কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

রোববার ( ৬ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার ৪ নম্বর সোনাপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ি বাজারের পাশের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আশক আলী ব্যাপারী বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রফিক উল্যার ছেলে সোহেল নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নিজের ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পাশাপাশি থাকা ১১টি বসতঘর ও ছয়টি দোকানেও আগুন লাগে। আগুনে ঘরবাড়ি ও দোকানের টিন, আসবাবপত্র, ব্যবসায়িক মালামালসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

ক্ষতিগ্রস্ত জাবের ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক হোসেন বলেন, আগুনে তার দোকানের বিপুল পরিমাণ মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দোকানের পেছনের বসতঘরটিও পুরোপুরি পুড়ে গেছে। তার দাবি, ওই ঘরের সোহেলই আগুন লাগিয়েছেন। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং অগ্নিসংযোগের অভিযোগের সত্যতা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য জরুরি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়রা সোহেলকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারি পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করে জানা যাবে।

ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পুড়ে যাওয়া ঘরবাড়ি ও দোকানের ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। সাজানো সংসার ও জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে অনেকেই এখন অসহায় হয়ে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের আহাজারিতে সেখানে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান ৫ কোটি টাকার বেশী হবে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান কাউছার, রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি নাজমুল ইসলাম মিঠু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

 





আর্কাইভ