শনিবার ● ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রথম পাতা » এক্সক্লুসিভ » প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায় থেকে এখন রাজনীতির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে ইসমাইল জবিউল্লাহ
প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায় থেকে এখন রাজনীতির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে ইসমাইল জবিউল্লাহ
নিজস্ব প্রতিনিধি, নিউজ এ্যাডভান্স
![]()
ঢাকা : প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায় থেকে এখন রাজনীতির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে উঠে এসেছেন ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি ক্ষমতাসীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হয়েছেন। বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির শূন্য পদে কারা আসতে পারেন সেই আলোচনা চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। এর মধ্যেই চার নেতাকে স্থায়ী কমিটির সদস্য পদে নিয়োগ দিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অন্য সদস্য হলেন-অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. আমানউল্লাহ আমান ও ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি সাধারণত দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় নেতাদের নিয়ে গঠিত হলেও ইসমাইল জবিউল্লাহর ক্ষেত্রে চিত্রটি কিছুটা ভিন্ন। তার আছে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা। তিনি বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা বজায় রেখেছেন। দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দায়িত্ব পালন, নির্বাচন পরিচালনা, নীতিনির্ধারণী কাজে সম্পৃক্ততার অভিজ্ঞতা তার নতুন দায়িত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, বিএনপির ১৯ সদস্যের স্থায়ী কমিটিতে আগে থেকে ১৩ জন রয়েছেন। তারা হলেন-তারেক রহমান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য জমির উদ্দিন সরকার গত ১২ জুলাই মারা গেছেন। নতুন চার সদস্য মিলিয়ে এখন সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। তাদের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হলে তাকে দলীয় পদ ছেড়ে দিতে হবে। সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরামে নতুন করে আরও তিনজনের যাওয়ার পথ খুলবে।
সাবেক সচিব মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের পূর্ণমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন । তার বেড়ে ওঠা লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোক্তার বাড়িতে।
অবসর নেওয়ার পর বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হন ইসমাইল জবিউল্লাহ। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পাওয়ার আগে বিএনপির উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এর আগে দীর্ঘ প্রশাসনিক জীবনে তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৫ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন তিনি। এ ছাড়াও তিনি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়েও দায়িত্ব পালন করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটিরও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। প্রশাসনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সমন্বয়ে এবার বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে স্থান পেলেন সাবেক এই সচিব।





আমার ঘরের ডাক্তার ও বিপদের বন্ধু ডা. আমান
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন কমলনগরের ইসমাইল জবিউল্লাহ
দৈনিক যে পরিমাণ গরুর মাংস খাওয়া নিরাপদ
যে অঞ্চলের বাসিন্দারা সবাই চলাচল করেন বিমানে
দৈনিক চা মৃত্যুঝুঁকি কমায়: গবেষণা
‘সমালোচকদের ওপর কঠোর বাংলাদেশ সরকার’
বাংলাদেশ চাইলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত জাতিসংঘ
শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে ক্ষতি পোষাতে টিআইবির ৯ দফা সুপারিশ
যেসব কারণে হাজার হাজার টাকায় বিক্রি হয় একেকটি আম 