শিরোনাম:
ঢাকা, বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৭ আশ্বিন ১৪২৮

Newsadvance24
বুধবার ● ১১ আগস্ট ২০২১
প্রথম পাতা » এক্সক্লুসিভ » শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে ক্ষতি পোষাতে টিআইবির ৯ দফা সুপারিশ
প্রথম পাতা » এক্সক্লুসিভ » শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে ক্ষতি পোষাতে টিআইবির ৯ দফা সুপারিশ
১৫২ বার পঠিত
বুধবার ● ১১ আগস্ট ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে ক্ষতি পোষাতে টিআইবির ৯ দফা সুপারিশ

অনলাইন ডেস্ক

 

---

কোভিড অতিমারীতে দীর্ঘদিন স্বশরীরে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম থেকে দূরে থাকা, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং ভবিষ্যত কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জে দেশের তরুণ সমাজ মানসিক ও আর্থ-সামাজিক গভীর সংকটপূর্ণ সময় পার করছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় যুব জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও ভবিষ্যত কর্মসংস্থান নিশ্চিতে দ্রুত ও কার্যকর মনোযোগ ও বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। অতিমারীকালে শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ৯টি সুপারিশ করে সংস্থাটি।

১২ই আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, করোনা সংকটে বহু তরুণ স্বেচ্ছাসেবার অনন্য নজির স্থাপন করলেও অনেক ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক বিবেচনায় বিভিন্ন উদ্যোগে বাধা প্রদানের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যথেচ্ছ প্রয়োগে স্বাধীন মতপ্রকাশের সাংবিধানিক অধিকার ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নীতি-কৌশল কিংবা রাজনৈতিক, সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন ইস্যুতে মন্তব্য বা মত প্রকাশের দায়ে মামলা ও আটকের ঘটনায় যুবসমাজের ওপর বেশি প্রভাব পড়েছে। ফলশ্রুতিতে বিভিন্ন ইস্যুতে তরুণ-যুবকদের অংশগ্রহণ ও মত প্রকাশ সীমিত ও সংকুচিত হচ্ছে, যা আতঙ্কজনক।

অতিমারির এই সময়ে তরুণদের শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র ও স্বাধীন মতপ্রকাশ নিশ্চিত করতে টিআইবির সুপারিশ হচ্ছে-

১. শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্বল্প সময়ের মধ্যে কোভিড-১৯ এর টিকা প্রদান করে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অতিদ্রুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ খুলে দিতে হবে;

২. স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে সকল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন কার্যক্রম নিশ্চিত করে পরবর্তী স্তরে উত্তরণের ব্যবস্থা নিতে হবে;

৩. ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শ্রেণীকক্ষে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে। বিশেষ করে, নারী, প্রতিবন্ধী, আর্থিকভাবে অসচ্ছ্বল, আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনার মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষাগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে;

৪. স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে তরুণদের যথাযথ কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে;

৫. তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনার পাশাপাশি করোনায় যেসব ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাত থেকে তরুণরা কর্মহীন হয়েছে বিশেষ প্রণোদনার মাধ্যমে সেগুলো চালুর উদ্যোগ নিতে হবে;

৬. কারিগরি ও বিশেষ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিকল্প পেশার (যেমন আউটসোর্সিং, ফ্রিল্যান্সিং) জন্য কর্মহীন তরুণ বা নতুন গ্র্যাজুয়েটদের প্রস্তুত করতে হবে;

৭. সরকারী-বেসরকারী যেসকল চাকুরীর পরীক্ষা ও নিয়োগ বন্ধ রয়েছে অবিলম্বে সেগুলোর প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে এবং নতুন বিজ্ঞপ্তির ক্ষেত্রে কোভিড অতিমারির প্রেক্ষাপট বিবেচনায় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার মানদন্ড নির্ধারণ করতে হবে;

৮. সকল চাকুরির নিয়োগ প্রক্রিয়া দুর্নীতিমুক্ত রেখে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সমান প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে;

৯. তরুণসমাজসহ সকল নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

এজন্য আইনী ও নীতিকাঠামোর প্রয়োজনীয় আমূল সংস্কার করতে হবে।

 

 সূত্র : মানবজমিন 






আর্কাইভ