শিরোনাম:
ঢাকা, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২
---

Newsadvance24
শুক্রবার ● ৮ এপ্রিল ২০২২
প্রথম পাতা » জাতীয় » ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আমার বয়ান
প্রথম পাতা » জাতীয় » ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আমার বয়ান
১৩৪৯ বার পঠিত
শুক্রবার ● ৮ এপ্রিল ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আমার বয়ান

আ স ম আবদুর রব

 

---

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময় হচ্ছে আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সময়। এই বিশ্ববিদ্যালয় আমার জীবনের ‘স্বপ্ন ও স্মৃতির’ একটি সোনালী অধ্যায়। এ বিশ্ববিদ্যালয় আমার জীবন এবং জগতকে অকল্পনীয়ভাবে প্রভাবিত করেছে, হৃদয় আর আত্মাকে উর্বর করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে মহৎ ও সুন্দর জীবনের স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে, আন্দোলন-সংগ্রামে আত্মবিশ্বাস যুগিয়েছে, নিজের সীমাবদ্ধতা-দুর্বলতা পরখ করার তাগিদ দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আমার ঋণ কোনোকালেই শোধ হবার নয়।

নোয়াখালী থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হতে এলাম তখন আমাকে ভর্তির সার্বিক সাহায্য সহযোগিতা করেন আমার নেতা জনাব তোফায়েল আহমেদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর থেকেই রাজনীতি, সংস্কৃতি, সাহিত্য, খেলাধুলা ও জীবনের বহুমুখী স্রোতধারায় যেভাবে নিজেকে সম্পৃক্ত করার সুযোগ পেয়েছিলাম তা পরবর্তী জীবনে আর ঘটেনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সকল গুণি ও কৃত্তিমান শিক্ষকদের সাহচর্য-নির্দেশনা এবং সহযোগিতা পেয়েছিলাম তা অতুলনীয়। এ সকল শিক্ষকগণের মৌলিকত্ব ও অর্ন্তদৃষ্টি ছিল অসামান্য। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকেই কিছু মহৎ মানুষ তথা কয়েকজন মহান শিক্ষকের সংস্পর্শ আসতে পেরেছিলাম, যাদের জ্ঞানের আলো আমাদেরকে সাহসী ও সমৃদ্ধ করেছে। আজকে সে সকল মহান শিক্ষকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পূর্বেই আমি ‘রাজনৈতিক শিক্ষকে’র সন্ধান পেয়েছিলাম। সেই শিক্ষক হচ্ছেন অনন্যসাধারণ এক ব্যক্তিত্ব স্বাধীনতার রূপকার ‘সিরাজুল আলম খান’। তাঁর হাত ধরেই স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠার প্রথম ‘পাঠ’ ও ‘শপথ’ নেই। তার কাছেই স্বাধীনতার ‘অগ্নিমন্ত্রে’ দীক্ষিত হই। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর সিরাজুল আলম খান, শেখ ফজলুল হক মনি, আব্দুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদকে কেন্দ্র করে স্বাধীকার থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনে আমার পরিপূর্ণভাবে নিবেদিত হবার অভিযাত্রা শুরু হয়েছিল।

বাঙালির ইতিহাসে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-সংগ্রামের সূতিকাগার হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ভাষা আন্দোলনের পর স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রস্তুতিপর্বে এবং মুক্তি সংগ্রামের প্রাক্কালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা যারা সম্পৃক্ত ছিলাম তারা অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী।

বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন ছাত্ররাজনীতিতে অংশগ্রহণের বড় ধরনের পরিসর সৃষ্টি হয় ৬৯ সালে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে, যে সম্মেলনে তোফায়েল ভাই সভাপতি আর আমি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই।

৬৯ সালের শিক্ষা দিবসে মধুর ক্যান্টিনে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভায় জয় বাংলা উচ্চারিত হয়েছিল আফতাব উদ্দিন আহমেদ, আ ফ ম মাহবুবল হক ও চিশতী শাহ্ হেলালুর রহমানের কন্ঠে। পরবর্তীতে ১১ দফা আন্দোলন এবং তখনকার ছাত্ররাজনীতির প্রবাদ প্রতিম তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে নিজেকে পরিপূর্ণ ভাবে নিবেদিত করতে পেরেছিলাম।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিরুদ্ধে এবং ছাত্র সমাজের এগার দফার ভিত্তিতে প্রচন্ড আন্দোলনের সূচনা হয় যার পরিণতিতে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় আর স্বৈরাচারী আইয়ুব খানের পতন হয়।

১৯৭০ সালে আমার রাজনৈতিক জীবনের বড় ধরনের বাক পরিবর্তনের ঘটনা হচ্ছে ডাকসু নির্বাচন। সেটি ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে ছাত্রদের সর্বপ্রথম সরাসরি বা প্রত্যক্ষ ভোটে ডাকসু নির্বাচন।

আমাকে এবং আব্দুল কুদ্দুস মাখনকে নিয়ে ছাত্রলীগের প্যানেল ঘোষণা করা হয়। ডাকসু নির্বাচনে আমি সহ-সভাপতি এবং আব্দুল কুদ্দুস মাখন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হই এবং উক্ত প্যানেল বিপুল ভোটে জয়ী হয়।

‘ডাকসু’ নির্বাচনের ১৫ দিন পূর্ব থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বিশাল বিশাল মিছিল, বিভিন্ন রঙের পোস্টার-ফেস্টুন, রব-মাখনের ছাপমারা গেঞ্জি, রাতের বেলা হাজার হাজার মশাল মিছিলের অভূতপূর্ব দৃশ্যের ঘটনা আজো স্মৃতিতে ভাস্বর। নির্বাচনের আগের দিন বিশাল মিছিল হলো, তা দেখে মনে হল যেন যুদ্ধ জয়ের পর বিজয় মিছিল।

এ নির্বাচনে নিরাপত্তার দিকটি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খসরু, মন্টু, মহিউদ্দিন ও ফিরু’র নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী চীনের প্রাচীরের মতো প্রতিরক্ষা দেয়াল তুলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

নির্বাচনের পর ডাকসু’র অভিষেক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। শপথ গ্রহণ ও অভিষেক অনুষ্ঠানে আবু সাঈদ চৌধুরী মত মহৎ মানুষের উপস্থিতি আজ মনে হয় সোনার সিংহাসনের চেয়েও দামি।

২ মার্চ, ১৯৭১ বাঙালি জাতির জীবনে একটি ঐতিহাসিক দিন। ডাকসু’র ভিপি হিসেবে উজ্জ্বলতম কীর্তি হচ্ছে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ‘স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা’ উত্তোলন। এ দিন বাংলাদেশের মানচিত্র অঙ্কিত হাজার বছরের লালিত স্বপ্নের পতাকা উত্তোলিত হয় আর বাঙালি জাতির স্বাধীন রাষ্ট্রের অস্তিত্বের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বুকে দাঁড়িয়ে বাঙালির আকাংখার প্রতিনিধিত্ব করে আমি ২ মার্চ ১৯৭১ ‘স্বাধীন বাংলার পতাকা’ উত্তোলন করি। এ গৌরব আমার নয়, এ গৌরব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সমগ্র মুক্তিকামী ছাত্র-জনতার।

পতাকা উত্তোলনের দিন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আমাকে হত্যা করে আমার আত্মাকে যদি গ্রহ-নক্ষত্রের উপরে ঊর্ধ্বলোকে পাঠিয়ে দিতো তবুও জীবন নিয়ে আমার কোন আক্ষেপ হতো না। পতাকা উত্তোলনের সময় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আতঙ্ক স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্রসেনানী ছাত্রসমাজের নেতৃবৃন্দ আমার সাথে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তারা সকলেই পতাকা উত্তোলনের মাহেন্দ্রক্ষণের অংশীদার। বাঙালির স্বাধীনতার দীর্ঘ সংগ্রাম-আন্দোলনে যে কয়টি অবিস্মরণীয় ঐতিহাসিক ঘটনার জন্ম হয়েছে তারমধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে পতাকা উত্তোলন। পতাকা উত্তোলনের ঘটনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সবচেয়ে বেশি মহিমান্বিত করেছে।

১৯৭০-এর ৬ জুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ইকবাল হল আজকের জহুরুল হলের ১১৬ নং কক্ষে বসে ‘স্বাধীনবাংলা নিউক্লিয়াসে’র প্রতিষ্ঠাতা সিরাজুল আলম খানের পরামর্শে আমি, শাহজাহান সিরাজ, কাজী আরেফ আহমদ ও মনিরুল ইসলাম বাঙালি জাতি রাষ্ট্রের জন্য পতাকা তৈরীর পরিকল্পনা করি। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জাতীয় পতাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জমিনে বসে তৈরি করার পরিকল্পনা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পতাকা উত্তোলন বিশ্বে একটি বিরল ঘটনা।

পতাকা উত্তোলন সশস্ত্র যুদ্ধকে অনিবার্য এবং আবশ্যক করে তুলে এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের সামরিক ও রাজনৈতিক পরিকল্পনায় এক নতুন মাত্রা যোগ করে।

আমি ও শাজাহান সিরাজ তৎকালীন ইকবাল হলের যে রুমে থাকতাম সেই ১১৬ নম্বর কক্ষে বসেই সিরাজুল আলম খান সহ নিউক্লিয়াস নেতৃবৃন্দ স্বাধীনতার ইশতেহার প্রণয়ন করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা, জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা নির্ধারণ, জয়বাংলা স্লোগান ও আন্দোলনের কর্মসূচিসহ বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করে ইশতেহার চূড়ান্ত করা হয়। ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে স্বাধীনতাকামী ছাত্র-জনতার বিশাল সমাবেশে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ বা ঘোষণা পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার পক্ষের চার ছাত্রনেতা নূরে আলম সিদ্দিকী, শাহজাহান সিরাজ, আমি আসম রব এবং আব্দুল কুদ্দুস মাখন শপথ বাক্য পাঠ করি।

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চকে সফল করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের সার্বক্ষণিক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাঙালির স্বাধীনতার বীজমন্ত্র। ঐতিহাসিক ৭ মার্চে আমি দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে মঞ্চে ছিলাম।

৭ই মার্চের পর অসহযোগ আন্দোলনকে সফল পরিণতির দিকে নিয়ে যাবার জন্য আমাদের ব্যাপক কর্মকন্ড পরিচালনা করতে হয়েছে।

২৩শে মার্চ ১৯৭১ পাকিস্তান প্রজাতন্ত্র দিবসে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ‘পতাকা দিবস’ এর ডাকে এদিন ঘরে ঘরে স্বাধীনতার পতাকা উড়ে। ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করা হয়। পতাকা উত্তোলনের সময় গান ফায়ারিং করেন স্বাধীনবাংলা নিউক্লিয়াসের সদস্য ও জয়বাংলা বাহিনীর উপপ্রধান কামরুল আলম খান খসরু। আমরা স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ জয় বাংলা বাহিনীর অভিবাদন গ্রহণ করি। জয় বাংলার জয়-হবে হবে হবে নিশ্চয় এই গান শিল্পী আবদুল জব্বার এর সাথে গেয়ে গেয়ে কয়েক হাজার ছাত্র-ছাত্রীর বাহিনী নিয়ে মার্চ করে ধানমন্ডি ৩২ এ যাই এবং স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষে আমি বঙ্গবন্ধুর হাতে ‘স্বাধীন বাংলার পতাকা’ তুলে দেই। বঙ্গবন্ধু পতাকা নেড়ে জয় বাংলা স্লোগান দেন হাজার হাজার ছাত্র-জনতার সামনে।

১৯৭১ সালর ২৫ মার্চ কালরাত। পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণ, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণের বিভীষিকাময়ে এক রাত। সে রাতেই আমরা অসংখ্য ছাত্রজনতাকে চিরদিনের জন্য হারিয়ে ফেলি। সেদিন সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় হল থেকে বেরিয়ে পড়ি। তারপর রাতে ৩২ নাম্বারে বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা করতে যাই। বঙ্গবন্ধুর আশীর্বাদ নিয়ে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করি। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে আমি আবার ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসি।

১৯৭২ সালের অমর একুশে অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক মোজাফফর আহমদকে নিয়ে ডাকসুর অনুষ্ঠান আজও আমার কাছে জীবন্ত মনে হয়।

আজও আমার সমগ্র সত্তায় আলোড়িত হয় সেদিনের কথা যেদিন বঙ্গবন্ধুকে ডাকসুর আজীবন সদস্য পদ প্রদান করা হয়। সেটা ছিল ১৯৭২ সালের ৫ মে। বঙ্গবন্ধু ডাকসু’র আজীবন সদস্য পদে স্বাক্ষর দান করছেন আর আমি ও আব্দুল কুদ্দুস মাখন অতি আগ্রহ ভরে স্বাক্ষর দানের দিকে তাকিয়ে রয়েছি; এ স্মৃতি অন্তরাত্মায় জ্বলজ্বল করছে আজো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন আমাদের জাতিরাষ্ট্র বিনির্মাণে অংশগ্রহণের ক্ষেত্র করে দিয়েছে, আর বাঙালি জাতীয়তাবাদকে বাঙালির তৃতীয় জাগরণ ভিত্তিক উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করার দিক নির্দেশনা দিয়েছে। আমাদের যা কিছু প্রাপ্তি যা-কিছু গৌরব সবকিছুর অধিকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আমি একদিন থাকবো না চিরকালের তরে অদৃশ্য হবো কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ অগ্রগতির বাহন হয়ে টিকে থাকবে।

ডাকসু ভিপি (১৯৭০-৭২)





জাতীয় এর আরও খবর

ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে চাই :  এ আর হাফিজ উল্লাহ ‎ ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে চাই : এ আর হাফিজ উল্লাহ ‎
ভারত আর আমেরিকার ইনসাফ আমরা চাই না : মুফতী রেজাউল করিম ‎ ভারত আর আমেরিকার ইনসাফ আমরা চাই না : মুফতী রেজাউল করিম ‎
জমায়াত ভোটের এক দিন আগেও শরীহা আইন সমর্থন করলে জোটের সম্ভাবনা থাকবে : খালেদ সাইফুল্লাহ ‎ জমায়াত ভোটের এক দিন আগেও শরীহা আইন সমর্থন করলে জোটের সম্ভাবনা থাকবে : খালেদ সাইফুল্লাহ ‎
কমলনগরে  জামায়াত কর্মীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা, বিক্ষোভ কমলনগরে জামায়াত কর্মীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা, বিক্ষোভ
কমলনগরে নিখোঁজেের ৩দিন পর জামায়াত কর্মীর মরদেহ উদ্ধার ‎ কমলনগরে নিখোঁজেের ৩দিন পর জামায়াত কর্মীর মরদেহ উদ্ধার ‎
‎লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে ‎ মনোনয়ন পত্র বৈধ ‎ ‎লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে ‎ মনোনয়ন পত্র বৈধ ‎
‎কমলনগরে সম্পত্তির জন্য বাবার লাশ দাফনে অন্য সন্তানদের বাঁধা ‎কমলনগরে সম্পত্তির জন্য বাবার লাশ দাফনে অন্য সন্তানদের বাঁধা
লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা ‎ লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা ‎
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের জোট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ‎ লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের জোট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ‎
কমলনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ির মৃত্যু ‎ কমলনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ির মৃত্যু ‎

আর্কাইভ