শিরোনাম:
ঢাকা, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
---

Newsadvance24
বুধবার ● ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » ‎কমলনগরে প্রশংসাপত্রের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » ‎কমলনগরে প্রশংসাপত্রের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ
৩৭৩ বার পঠিত
বুধবার ● ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

‎কমলনগরে প্রশংসাপত্রের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, নিউজ এ্যাডভান্স

‎---

কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্র (টেস্টিমোনিয়াল) দেওয়ার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। প্রশংসাপত্র সংগ্রহের সময় নির্ধারিত কোন ফি-এর বিধান না থাকলেও প্রধান শিক্ষকরা ৫শ’ থেকে ৭শ’ টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিদ্যালয় থেকে প্রশংসাপত্র নিতে গেলে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে এই অর্থের বিপরীতে যথাযথ রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। ফলে কোন খাতে কত টাকা নেওয়া হচ্ছে এবং আদায়কৃত অর্থের হিসাব কীভাবে রাখা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

‎সরজমিন তোয়াহা স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, এ বছর এসএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রধান শিক্ষকের কথা বলে  ৫শ’ টাকা এবং অফিস সহকারীর বা কম্পিউটার অপারেটর  জন্য ৬০টাকা করে আদায় করছেন।

‎উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় ১৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ বছর ৮শ’ ৬৬ শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৫শ’একজন শিক্ষার্থী পাশ করেন। সব কয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা একই নিয়মে  শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রসিদ বিহীন প্রশংসা পত্রের নামে এ সব টাকা আদায় করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

‎একাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক জানান, উচ্চশিক্ষায় ভর্তি কিংবা চাকরির আবেদনের জন্য প্রশংসাপত্র প্রয়োজন হওয়ায় অনেকটা বাধ্য হয়েই দাবি করা অর্থ দিতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে গেলে পরবর্তীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হয়রানির আশঙ্কা রয়েছে বলেও কেউ নাম প্রকাশ করতে চাননি।

‎এদিকে প্রশংসা পত্রের নামে টাকা নেওয়ার বিষয়ে তোয়াহা স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহাজাহান অকপটে স্বীকার করে বলেন, আমরা ৫শ’টাকা করে নিচ্ছি এবং ওই টাকা বিদ্যালয়ের একাউন্টে জমা দিচ্ছি।

‎বিষয়টি নিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানে মুঠোফোনে বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

‎এ বিষয়ে কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাহাত উজ জামান বলেন, রসিদবিহীন এ ভাবে টাকা নেওয়ার কোন নিয়ম নেই। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলা হবে।

‎অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশংসা পত্রের নামে রসিদ বিহীন অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের তদন্ত এবং  জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া দাবি করছেন  সচেতন মহল।

‎

‎





আর্কাইভ