শিরোনাম:
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
---

Newsadvance24
সোমবার ● ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » তিন বছরেও শেষ হয়নি রায়পুর পৌরসভার ড্রেনেজ নির্মান কাজ, ভোগান্তি
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » তিন বছরেও শেষ হয়নি রায়পুর পৌরসভার ড্রেনেজ নির্মান কাজ, ভোগান্তি
৩৮ বার পঠিত
সোমবার ● ১৩ জুলাই ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

তিন বছরেও শেষ হয়নি রায়পুর পৌরসভার ড্রেনেজ নির্মান কাজ, ভোগান্তি

মো: আবদুল লতিফ, নিউজ এ্যাডভান্স

---

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার ড্রেনেজ নির্মান প্রকল্পের কাজ এক বছরে শেষ করার কথা থাকলেও তা বিগত তিন বছরেও শেষ হয়নি। শহীদ ওসমান চত্ত্বরের ট্রাফিক মোড় থেকে নর্দমা পর্যন্ত এবং নতুনবাজার থেকে মহিলা কলেজ পর্যন্ত সড়কের ড্রেন নির্মানের জন্য দীর্ঘ তিন বছর ধরে চলছে খোঁড়া খুঁড়ি। এতে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন। তা ছাড়া ড্রেনের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই চলছে সড়ক ও ড্রেন নির্মান কাজ।ফলে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পথচারীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টকর হয়ে উঠেছে।সরজমিন দেখা গেছে গত গাঁচ দিনের টানা বৃষ্টিতে পৌর শহরের ট্রাফিক মোড় থেকে নর্দমা পর্যন্ত সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।প্রকল্পের কাজের জন্য মহিলা কলেজ সড়ক সহ কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,২০২৩ সালের মার্চ মাসে কয়েকটি এলাকায় প্রকল্পের কাজ শুরু করে রায়পুর পৌরসভা।একনেকে অনুমোদন পাওয়ার পর থেকে রায়পুর পৌর শহরের পয়:নিষ্কাসন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।পুরো শহরকে ছয়টি ক্যাচমেন্ট অঞ্চলে ভাগ করে কাজ শুরু করা হয়।তারপরও সময়মত কাজ করতে না পারায় অন্তত সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এ বিষয়ে রায়পুর পৌরসভার উপ-সহকারি প্রকৌশলী মাহমুদুন্নবী বলেন,২০২৩ সালে পৌরসভার অধীনে প্রকল্পের আওতায় নতুনবাজার থেকে মহিলা কলেজ এবং ট্রাফিক মোড় হইতে নর্দমা পর্যন্ত দুটি আধুনিক ড্রেন নির্মান কাজের উদ্যোগ নেওয়া হয়।নতুনবাজার মহিলা কলেজ অংশে প্রায় ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ট্রাফিক মোড় হইতে শায়েস্তানগর নর্দমা পর্যন্ত অংশে ড্রেন ও সড়ক নির্মানে ১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যায়ে প্রকল্পের কার্যাদেশ দেওয়া হয়।২০২৪ সালের জুনে প্রকলের মেয়াদ শেষ হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রহমান ইঞ্জিনিয়ারিং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হয়।যার ফলে দফায় দফায় কাজের মেয়াদ বাড়ানো হয়।অথচ তারা আংশিক কাজ করে প্রায় ৩ কোটি টাকা বিল উত্তোলন করে নেয়।এরপর থেকে প্রায় বন্ধ থাকে কাজ।যার ফলে সামান্য বৃষ্টিতে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। আর খোলা ড্রেনে পড়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথচারীরা।এদিকে ট্রাফিক মোড় থেকে নর্দমা পর্যন্ত সড়ক ও ড্রেন নির্মান প্রকল্পের কাজ পায় ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস। তারাও ধীর গতিতে কাজ করায় পৌর কর্তৃপক্ষ একাধিকবার তাগাদা দিলেও গুরুত্ব দিচ্ছেনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এতে দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখা কাজের কারনে ভোগান্তিতে রয়েছেন পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।বর্ষাকালে ড্রেন খননের কারনে অনেক জায়গায় সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মেহেদী হাসান কাউছার বলেন,ট্রাফিক মোড় হইতে নর্দমা পর্যন্ত ড্রেন ও সড়কের কাজ বৃষ্টির কারনে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে যত দ্রুত সম্ভব কাজ সম্পপ্ন করা হবে।





আর্কাইভ