শিরোনাম:
ঢাকা, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩
---

Newsadvance24
সোমবার ● ৪ মে ২০২৬
প্রথম পাতা » জাতীয় » জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে আড়াই হাজার রুগীর অপারেশন করেছেন ডা. আমান
প্রথম পাতা » জাতীয় » জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে আড়াই হাজার রুগীর অপারেশন করেছেন ডা. আমান
২২৬ বার পঠিত
সোমবার ● ৪ মে ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে আড়াই হাজার রুগীর অপারেশন করেছেন ডা. আমান

ইউছুফ আলী মিঠু,  নিউজ এ্যাডভান্স

---

ঢাকা :  ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিনা পারিশ্রমিকে প্রায় আড়াই হাজার রুগীর অপারেশন করেছেন অর্থোপেডিক সার্জন ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে পুলিশের হামলায় আহত হওয়া বিএনপি’র নেতা কর্মীদের গোপনে অস্ত্র পাচার করেন।

‎ডা. আমান উল্লাহ জানান, ২০০২ সাল থেকেই তিনি জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে তারেক রহমান রাজনীতিকে শুধু মিছিল-মিটিংয়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না রেখে জনগণের জন্য কাজ করার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। ফাউন্ডেশনটি বছরের পর বছর ধরে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও জটিল অপারেশন সেবা দিয়ে আসছেন তিনি। আহত নেতাকর্মীদের চিকিৎসার জন্য জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের রিহ্যাবিলিটেশন কমিটি গঠন করা হয়। তিনি ওই কমিটির আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিব ডা. পারভেজ রেজা কাকন।

‎অর্থোপেডিক সার্জন ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত আছেন। বিগত কয়েক বছর ধরে সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রায় আড়াই হাজার আহত ব্যক্তির অপারেশন করেছেন।

‎তার জন্ম লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলায়। ছোটবেলা থেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ছিলো তার। প্রয়াত স্বনামধন্য প্রধান শিক্ষক বাবার সরকারি চাকুরির সুবাদে শিক্ষাজীবন শুরু হয় ঢাকার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে। এস এস সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে, ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাসের পর ভর্তি হলাম ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে। এমবিবিএস পাসের পর ২০০৩ সালে চিকিৎসক হিসেবে পেশাদার জীবন শুরু করেন তিনি।

‎প্রথম দিকে কলাবাগানের কাছে একটি হাসপাতালে অপারেশন করতেন তিনি। এটি ধানমন্ডি ৩২-এর কাছাকাছি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাও ছিল বেশি। ফলে সেখান থেকে সরে শ্যামলীতে বেশিরভাগ অপারেশন হতো সেখানকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। হাসপাতালের মালিক রফিক সাহেব তাদের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তবে শর্ত ছিল-যখন অন্য রোগীর ভিড় থাকবে না তখনই অপারেশন করতে হবে। তারা হয় গভীর রাতে নয়তো খুব ভোরে অপারেশন করতেন। তারা খুবই সাধারণভাবে হাসপাতালে ঢুকতেন। মোবাইল অন্য জায়গায় রেখে আসতেন। কাজ শেষে একেকজন একেকভাবে বের হয়ে যেতেন তারা।

‎এ পর্যন্ত তারা প্রায় আড়াই হাজার আহত রোগীর অস্ত্রোপচার করেছেন। সবই বিনা পারিশ্রমিকে। তাদের টিমে আরও ছিলেন অধ্যাপক ডা. সিরাজুস সালেহীন, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. সৈয়দ মেহবুব উল কাদির, ডা. সাজিদ, ডা. শাওন রহমান, ডা. রাকিবুজ্জামান, ডা. মেহেদী হাসান ও ডা. আয়াজ প্রমুখ।

‎ডা. আমান উল্লাহ আরো জানান, তাদের টিমের অনেকেই ছিলো সরকারি চাকুরিজীবি। ফলে পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ধরা পড়লে মামলা, বিভাগীয় তদন্ত কিংবা শাস্তিমূলক পোস্টিং যেকোনো কিছুই হতে পারত। তাই বেশ সতর্কতার সঙ্গে চলতে হতো তাদের।





আর্কাইভ