শিরোনাম:
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ন ১৪২৯
---

Newsadvance24
বুধবার ● ১৯ অক্টোবর ২০২২
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » কাজীর গরু কিতাবে আছে গোয়ালে নেই/ ৪ শিক্ষক ১০ শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » কাজীর গরু কিতাবে আছে গোয়ালে নেই/ ৪ শিক্ষক ১০ শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়
২১২ বার পঠিত
বুধবার ● ১৯ অক্টোবর ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

কাজীর গরু কিতাবে আছে গোয়ালে নেই/ ৪ শিক্ষক ১০ শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়

ইউছুফ আলী মিঠু,  নিউজ এ্যাডভান্স

---

কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার লুধুয়া ফয়জুন নাহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০-১২ জন শিক্ষার্থী দিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। কাগজে-কলমে ১০৪ জন শিক্ষার্থী থাকলেও উপস্থিত থাকে ১০-১২ জন। আবার এদের অধিকাংশের বয়স ৫ বছরের নিচে। প্রধান শিক্ষক বলছেন, আমরাতো প্রতিদিন অভিভাবকদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি, ছাত্রছাত্রী না আসলে আমাদের কি করার আছে? সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, ৪ জন শিক্ষকের মধ্যে ২ জন উপস্থিত আছেন। তারা কমনরুমে বসে গল্প করছেন। দুই শ্রেণিকক্ষ ফাঁকা রয়েছে। এক শ্রেণিকক্ষে ৮-১০ জন শিশু দুষ্টুমি করছে। এদের ৪-৫ জনের বয়স ৫ বছরের নিচে। জানা যায়, ১৯৮৪ সালে উপজেলার চরফলকন ইউনিয়নের লুধুয়া এলাকায় এ স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন ওই এলাকায় তাদের কার্যক্রম চালিয়ে আসলেও ২০১৬ সালে মেঘনার ভাঙনে স্কুলটি পাটারিরহাট এলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সফি উল্লাহ মেম্বারের বাড়ির দরজায় স্থানান্তর করা হয়।
ওই জায়গাও আবার মেঘনার ভাঙনের মুখে পড়লে ২০২১ সালে পাটারিরহাট ইউনিয়নের খায়েরহাট বাজারের পূর্বপাশে ৬ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। স্থানীয়রা জানান, স্কুলটি এ জায়গায় স্থানান্তরের পর শিক্ষকদের ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি করার বিষয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা নেই। তারা তাদের মনমতো স্কুলে এসে সময় কাটিয়ে আবার চলে যায়। কাগজে-কলমে ১০৪ জন শিক্ষার্থী দেখালেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। প্রতিদিন ১০-১৫ জনের বেশি শিক্ষার্থী উপস্থিত হয় না। উপজেলা প্রশাসনের তদারকি না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থী সংকটে পড়েছে। এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল করিম বলেন, মেঘনার ভাঙনে স্কুলটি দুইবার স্থানান্তর করা হয়। এতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে গেছে। তারপরও আমরা এলাকায় অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলছি। কিন্তু ছাত্রছাত্রী না আসলে আমরা কি করতে পারি? এ বিষয়ে কমলনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই স্কুলে দুই শিফটে ক্লাস হয়। শিক্ষার্থী এত কম হওয়ার কথা না। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, উপজেলায় দীর্ঘদিন থেকে শিক্ষা অফিসারসহ অনেক পদ শূন্য রয়েছে। সঠিক তদারকি না থাকায় শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটা বিঘ্নিত হচ্ছে। বিষয়গুলো আমার নজরে এসেছে। খুব শিগগিরই আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।





আর্কাইভ