শিরোনাম:
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৩ আশ্বিন ১৪২৯
---

Newsadvance24
রবিবার ● ১৪ আগস্ট ২০২২
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » মেঘনার জোয়ারে তলিয়ে গেছে রামগতি-কমলনগরের ১০ ইউনিয়ন, ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা
প্রথম পাতা » চট্টগ্রাম » মেঘনার জোয়ারে তলিয়ে গেছে রামগতি-কমলনগরের ১০ ইউনিয়ন, ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা
১৯৬ বার পঠিত
রবিবার ● ১৪ আগস্ট ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

মেঘনার জোয়ারে তলিয়ে গেছে রামগতি-কমলনগরের ১০ ইউনিয়ন, ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা

ইউছুফ আলী মিঠু, নিউজ এ্যাডভান্স

 

---

কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) : লঘুচাপ ও পূর্ণিমার প্রভাবে মেঘনা নদীর  অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগরের উপকূলীয় এলাকার ১০ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকা তলিয়ে গেছে। স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় তিন ফুটের বেশি পানি উপকূলে ঢুকে পড়েছে। এতে তলিয়ে গেছে বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, মাছের ঘের, ফসলি জমি ও আমনের বীজতলা। ফলে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ভুক্তভোগীরা। আর নদীতে তীব্র ঢেউয়ের আঘাতে ওই সব এলাকা ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে।

জানা যায় তীর রক্ষা বাঁধ না থাকায় মেঘনা নদীর উপকূলীয় এলাকার কমলনগর এবং রামগতি উপজেলার প্রায় ৩৭ কিলোমিটার এলাকা অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। যার ফলে অমাবস্যা এবং পূর্ণিমার সময় মেঘনার সৃষ্ট জোয়ারের পানি অতি সহজেই লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। গত তিন-চার দিনের জোয়ারে পানিতে  কমলনগরের চরকালকিনি, সাহেবেরহাট চরমার্টিন,চরলরেন্স, চরফলকন, পাটারিরহাট এবং রামগতির বড়খেরী, চরগাজী, চরআলগী, চরআব্দুল্লা ও চরআলেকজান্ডা ইউনিয়নের প্রায় ৫০হাজার পরিবার পানি বন্দি হয়ে  মানবেতর জীবন যাপন করছে।

 

---

কমলনগর উপজেলার চরকালকিনি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাস্টার মোহাম্মদ ছাইফ উল্লাহ বলেন, অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে তার ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা তলিয়ে গেছে। পানির তীব্র ¯্রােতে রাস্তাঘাটসহ ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোন সহযোগীতা তারা পাননি।

কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, খুব দ্রুত জেলা প্রশাসক স্যারের সাথে পরামর্শ করে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম শান্তুনু চৌধুরী বলেন, মেঘনার জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা গিয়ে সাধারণ মানুষদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্তের পরিমান নির্ধারণ করে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ বলেন অমাবস্যা এবং পূর্ণিমার প্রভাবে মেঘনা নদীতে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে দুই থেকে আড়াই ফুট পানি বৃদ্ধি পায়। এখন পূর্ণিমা এবং বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ থাকায় জোয়ারের অতিরিক্ত পানি উপকূলে উঠে পড়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

 





আর্কাইভ