<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>Newsadvance24</title>
	<link>http://www.newsadvance24.com</link>
	<description></description>
	<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 14:14:27 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=18.3</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>রায়পুরে জেলের বাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ</title>
		<link>http://www.newsadvance24.com/2461</link>
		<comments>http://www.newsadvance24.com/2461#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>mithu</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[লক্ষ্মীপুর সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsadvance24.com/2461</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/img-20260722-wa0050-thumbnail.jpg" alt="" /></span>আবদুল লতিফ, নিউজ এ্যাডভান্স

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ২ নম্বর উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরান বেড়ী এলাকায় আবুল সরদারের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও হামলায় ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই এলাকার আবুল হোসেন সর্দারের ঘর থেকে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify">আবদুল লতিফ, নিউজ এ্যাডভান্স</p>
<p style="text-align: justify"><img src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/img-20260722-wa0050-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p style="text-align: justify">রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ২ নম্বর উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পুরান বেড়ী এলাকায় আবুল সরদারের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও হামলায় ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।</p>
<p style="text-align: justify">মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই এলাকার আবুল হোসেন সর্দারের ঘর থেকে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify">পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবুল হোসেন সর্দার পেশায় একজন জেলে। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। পরে তাঁর স্ত্রী খালেদা আক্তারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্থানীয় ফাঁড়ি পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘর থেকে বিভিন্ন ধরনের ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।</p>
<p style="text-align: justify">এলাকাবাসী জানান, এসব অস্ত্র কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাদের দাবি, অস্ত্র মজুতের নেপথ্যে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের করা হোক।</p>
<p style="text-align: justify">নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘এ ধরনের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অস্ত্রের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এ বিষয়ে স্থানীয়রা লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ ও রায়পুর থানা পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।</p>
<p style="text-align: justify">এ ঘটনায় অভিযুক্ত আবুল হোসেন সর্দারকে পাওয়া না যাওয়ায় তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।</p>
<p style="text-align: justify">রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, পারিবারিক বিষয়াদি নিয়ে আবুল হোসেন সর্দারের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী খালেদা আক্তারের বিরোধ চলছিল। আবুল হোসেন নদীতে মাছ ধরতে গেলে খালেদা পুলিশকে অস্ত্র থাকার বিষয়টি অবগত করেন। পরে পুলিশ ধারালো অস্ত্রসহ অন্যান্য অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে নিয়ে আসে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.newsadvance24.com/2461/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রায়পুরে অস্বাস্থ্যকর ভেজাল ও নকল শিশু খাদ্যে ছয়লাব</title>
		<link>http://www.newsadvance24.com/2459</link>
		<comments>http://www.newsadvance24.com/2459#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>mithu</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>

		<category><![CDATA[লক্ষ্মীপুর সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsadvance24.com/2459</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/img-20260722-wa0049-thumbnail.jpg" alt="" /></span>মোঃ আবদুল লতিফ, নিউজ এ্যাডভান্স

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহীন ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী করা বিভিন্ন শিশু খাদ্য সামগ্রী। বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে ও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে নিম্নমানের ফলের জুস, রঙিন ড্রিংক, লাচ্ছি, ললিপপ, চিপস, চকলেট, ক্যান্ডি, চাটনি, চুইংগাম, ভাজা চিফস, ওয়েফার, লিচু, ডেইরি, আইচ পপসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে সয়লাব হয়ে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><span style="text-align: justify">মোঃ আবদুল লতিফ, নিউজ এ্যাডভান্স</span></p>
<p style="text-align: justify"><img src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/img-20260722-wa0049-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p style="text-align: justify">রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহীন ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী করা বিভিন্ন শিশু খাদ্য সামগ্রী। বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে ও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে নিম্নমানের ফলের জুস, রঙিন ড্রিংক, লাচ্ছি, ললিপপ, চিপস, চকলেট, ক্যান্ডি, চাটনি, চুইংগাম, ভাজা চিফস, ওয়েফার, লিচু, ডেইরি, আইচ পপসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে সয়লাব হয়ে গেছে।<br />
যা শিশুদের নজর কাড়ে দারুণ ভাবে। এতে করে এ সকল খাদ্যগুলো খেয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছে শিশুরা।শিশুরা না বুঝে এবং রং-বেরংএর মোড়ক ও খেলনার প্রতি আৎকৃষ্ট হয়ে এসব বিষাক্ত খাদ্য সামগ্রী কিনে খাচ্ছে। এমনকি গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষও বুঝে না বুঝে শিশুদের মুখে তুলে দেন খাদ্য নামক এসব বিষ। যার ফলে এসব খাবার খেয়ে শিশুরা ডায়রিয়া, আমাশয়, বমিসহ নানা পেটের পীড়ায় ভুগছে। দীর্ঘদিন এসব খাদ্য গ্রহণের ফলে জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। যা তাৎক্ষণিক ভাবে আমরা উপলব্ধি করতে পারছি না।<br />
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, শিশুরা এসব খাবার খেলে নানা রকম পেটের অসুখ হয়ে থাকে। এছাড়া দীর্ঘদিন এসব খাবার গ্রহণের ফলে তাদের ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়, স্নায়ু দূর্বল থাকে, মেধাশক্তি কমে যায়, পাকস্থলিতে আলসার হয় এবং এক সময় কিডনি অকেজো হয়ে পড়ে। এছাড়া শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও রক্তকোষ বিকাশে দারুণ ভাবে বাঁধাগ্রস্ত করে।<br />
বুধবার উপজেলার মেইন রোড , মধ্য বাজার, মুড়ি হাটা, গাজী সুপার মার্কেট সংলগ্নসহ  বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে- বাহারি মোড়কে এসব  ভেজাল খাদ্য সামগ্রী খুচরা ও পাইকারি বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়াও প্রাথমিক বিদ্যালয়, কেজি স্কুল, মাদ্রাসা ও পাড়া মহল্লার বিভিন্ন শিশু-কিশোরদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে ও আশপাশের মুদি দোকান, ভ্যারাইটিজ স্টোর, কনফেকশনারি ও চায়ের দোকানে বেশি পাওয়া যাচ্ছে এসব শিশুখাদ্য।<br />
এসব খাদ্যপণ্যে আকর্ষণীয় মোড়ক লাগিয়ে ও রঙ্গ-বেরংএর প্যাকেটজাত করলেও তার গায়ে লেখা থাকে না উপকরণের তালিকা, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ। নেই সরকারের বিএসটিআই অনুমোদিত সীল। আবার কোনো কোনো শিশু খাদ্যের প্যাকেটে বিএসটিআই এর সিল দিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছে। অর্থাৎ বিএসটিআই এর সিলের নিচে লেখা আছে বিএসটিআই অনুমোদিত নয়। যা তীক্ষ্ম দৃষ্টি দিয়ে না তাকালে বোঝা যায় না।<br />
একদিকে মানহীন ও অনুমোদনহীন ভেজাল খাদ্য সামগ্রী অপরদিকে এসব শিশু খাদ্যের প্যাকেটে প্লাস্টিকের খেলনা সামগ্রী দিয়ে অস্বাস্থ্যকর খাবারকে আরও বেশি বিষাক্ত করে তোলা হচ্ছে। মুখরোচক এসব শিশু খাদ্যের চাহিদা প্রচুর থাকায় তা বিক্রি হচ্ছে নির্বিঘ্নে। এসব নিম্নমানের পণ্যের বেচাকেনা বাড়াতে খুচরা ব্যবসায়ীদের আকৃষ্ট করতে লাভজনক এবং আকর্ষণীয় অফারও দেয়া হয়।<br />
শিশুরা তো না বুঝে এসব খাদ্য সামগ্রী ক্রয় করছে আবার সব দেখে শুনে ও বুঝেও শিশুদের বাহানার কাছে অসহায় সব পিতা-মাতা বা আত্মীয়-স্বজন। তাই বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এসব নিন্মমানের ভেজাল ও নকল খাদ্য শিশুদের হাতে তুলে দিচ্ছেন অবিভাবকরা। ফলে শিশুরা দিনের পর দিন স্বাস্থ্য ঝুঁকির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আক্রান্ত হচ্ছে পুষ্টিহীন রোগ, পেটের পীড়াসহ নানা জটিল ও কঠিন রোগে। শিশুর সুস্বাস্থ্য নিয়ে মহাবিপাকে পড়েছেন তারা।<br />
নকল ও মানহীন শিশুখাদ্য প্রতিরোধে মাঝে মধ্যে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের অভিযান নজরে এলেও উৎপাদনকৃত কারখানা, জেলা ও উপজেলার সদরে পাইকারি বিক্রয়ের স্থান ও খুচরা পর্যায়ে জোরালো কোনো অভিযান পরিচালনা না করা এবং জনসচেতনতায় দৃশ্যমান কোনো প্রচার-প্রচারণা ও কর্মসূচি না থাকায় এগুলো দিন দিন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।<br />
সচেতন মহল মনে করেন, কিছু বিবেকহীন মুনাফালোভী মানুষ ব্যবসার নামে হরহামেশা এ ধরনের অস্বাস্থ্যকর ও মানহীন খাবার তৈরি করে বিক্রি করছেন। যা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হুমকি স্বরূপ। আপনার-আমার এবং সবার সামনে এসব শিশু খাদ্য ক্রয়-বিক্রয় হলেও অজ্ঞাত কারণেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। আবার অভিভাবক হিসেবে আমরাও সচেতন হচ্ছি না।<br />
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, অস্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিহীন খাবারে শিশুর পেটের অসুখ ও ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়। এছাড়াও দীর্ঘদিন এসব খাবার খেলে পাকস্থলিতে আলসার হয় এবং একসময় কিডনি অকেজো হয়ে যায়। এতে করে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বাধাগ্রস্ত হয়। তাই ঘরে তৈরি খাবার শিশুকে খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।<br />
এবিষয়ে রায়পুরের সচেতন মহল বলছেন - দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব  অস্বাস্থ্যকর  ভেজাল শিশু খাদ্যের  লাগাম টেনে না ধরা হলে আগামী প্রজন্মের জন্য তা হবে চরম হুমকি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.newsadvance24.com/2459/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>কমলনগরে পুড়ে ছাই একটি জেলে পরিবারে স্বপ্ন</title>
		<link>http://www.newsadvance24.com/2457</link>
		<comments>http://www.newsadvance24.com/2457#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>mithu</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[লক্ষ্মীপুর সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsadvance24.com/2457</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/inshot_20260722_133226982-thumbnail.jpg" alt="" /></span>‎কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
‎
স্বামী আক্তার নদীতে মাছ ধরছেন। পরিবারের অভাব মুছতে এবং চার সন্তান মানুষ করতে স্ত্রী শাহানুর অন্যের বাড়িতে জিয়ের কাজ করছেন।
‎পরিবার নিয়ে সামনে দিনগুলোতে ভালোভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখলেও মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে পুড়ে তাদের স্বপ্ন ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরফলকন ইউনিয়নের খলিল মিস্ত্রি বাড়ির আক্তার হোসেনের ঘরে আগুন লেগে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify">‎কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি</p>
<p style="text-align: justify">‎<img src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/inshot_20260722_133226982-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p style="text-align: justify">স্বামী আক্তার নদীতে মাছ ধরছেন। পরিবারের অভাব মুছতে এবং চার সন্তান মানুষ করতে স্ত্রী শাহানুর অন্যের বাড়িতে জিয়ের কাজ করছেন।</p>
<p style="text-align: justify">‎পরিবার নিয়ে সামনে দিনগুলোতে ভালোভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখলেও মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে পুড়ে তাদের স্বপ্ন ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরফলকন ইউনিয়নের খলিল মিস্ত্রি বাড়ির আক্তার হোসেনের ঘরে আগুন লেগে সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়।</p>
<p style="text-align: justify">‎জানা যায়,রাত সাড়ে ১২ টার দিকে বৈদ্যতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্র পাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যে পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট  ও স্থানীয়রা এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে তাদের ঘরে থাকা নগদ টাকা, আসবাবপত্র ও হাঁস-মুরগিসহ সকল মালামাল পুড়ে প্রায় ৬লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়।</p>
<p style="text-align: justify">‎আগুনে পুড়ে নিঃস্ব শাহানুর কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, &#8220;নিজের ঘাম ঝরানো উপার্জনে একটু একটু করে ঘরটা সাজিয়েছিলাম। স্বপ্ন ছিলো পরিবার নিয়ে সামনের দিলগুলো ভালোভাবে কেটে যাবে কিন্তু এক মুহূর্তের আগুনে আমার সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। আমার সন্তান শুধু পরনের কাপড়টুকু নিয়ে এখন অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি।</p>
<p style="text-align: justify">‎</p>
<p style="text-align: justify">‎</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.newsadvance24.com/2457/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>লক্ষ্মীপুরে ভেজাল ঘি&#8217;র কারখানায় অভিযান, ৩লাখ টাকা জরিমানা</title>
		<link>http://www.newsadvance24.com/2455</link>
		<comments>http://www.newsadvance24.com/2455#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>mithu</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[লক্ষ্মীপুর সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsadvance24.com/2455</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/img_20260721_172912_580-thumbnail.jpg" alt="" /></span>নিজস্ব প্রতিনিধি, নিউজ এ্যাডভান্স
‎
লক্ষ্মীপুরে ভেজাল ঘি তৈরি ও বাজারজাত করার অপরাধে  একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে প্রতিষ্ঠানের মালিকের ভাই জিল্লাল হোসেনকে ২ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে । মঙ্গলবার বিকেলে জেলার বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)&#8217;র গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাহের ফুড ইন্ডাস্ট্রিজে এ অভিযান  পরিচালনা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify">নিজস্ব প্রতিনিধি, নিউজ এ্যাডভান্স</p>
<p style="text-align: justify">‎<img src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/img_20260721_172912_580-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p style="text-align: justify">লক্ষ্মীপুরে ভেজাল ঘি তৈরি ও বাজারজাত করার অপরাধে  একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে প্রতিষ্ঠানের মালিকের ভাই জিল্লাল হোসেনকে ২ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে । মঙ্গলবার বিকেলে জেলার বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)&#8217;র গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাহের ফুড ইন্ডাস্ট্রিজে এ অভিযান  পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও ভ্রাম্যমান আদালত অংশ নেয়।</p>
<p style="text-align: justify">ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিদাস এ দন্ডাদেশ দেন। এ সময় জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে ৩৮ কার্টুন ভেজাল ঘি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল ঘি উৎপাদনের বিভিন্ন আলামত ও প্রমাণ জব্দ করা  হয়।</p>
<p style="text-align: justify">‎জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ডালডা, পামওয়েল ও বিভিন্ন রাসায়নিক মিশিয়ে বিদেশি কোম্পানির নাম ব্যবহার করে ভেজাল ঘি তৈরি ও বাজারজাত করে আসছিল তাহের ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ। ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক মো, মান্নান তার ভাই জিল্লাল হোসেনকে দিয়ে এ সব অপকর্ম করে আসছে। পরে এনএসআই&#8217;র গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান দেওয়া হয়। এর আগেও এ প্রতিষ্ঠানে ৭০হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত।</p>
<p style="text-align: justify">‎</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.newsadvance24.com/2455/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>কমলনগরে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা</title>
		<link>http://www.newsadvance24.com/2453</link>
		<comments>http://www.newsadvance24.com/2453#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>mithu</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[লক্ষ্মীপুর সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsadvance24.com/2453</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/received_2212552882828904-thumbnail.jpeg" alt="" /></span>নিজস্ব প্রতিনিধি, নিউজ এ্যাডভান্স
‎
কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার স্পন্দন সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাহাত উজ জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কৃষি কর্মকর্তা ইকতারুল ইসলাম, কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল আলম, উপজেলা বিএনপির ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিনিধি, নিউজ এ্যাডভান্স</p>
<p style="text-align: justify">‎<img src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/received_2212552882828904-thumbnail.jpeg" alt="---" /></p>
<p style="text-align: justify">কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার স্পন্দন সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাহাত উজ জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কৃষি কর্মকর্তা ইকতারুল ইসলাম, কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল আলম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম দিদার হোসেন, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল খায়ের, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা গিয়াস উদ্দিন, কমলনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইউছুফ আলী মিঠু, গনঅধিকার পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট সোলাইমান চৌধুরী, জুলাই যুদ্ধে নিহত শহিদ মাসরুরের ভাই মাওলানা আব্বাস হোসেন ও জুলাই যোদ্ধা আকতার হোসেন প্রমুখ। পরে  জুলাই যুদ্ধে নিহত সকল শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify">‎প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের এই দিনে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ, চট্টগ্রামে কলেজশিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ কমপক্ষে ৬ জন শহীদ হয়েছিলেন। রংপুরে দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলেন শহীদ আবু সাঈদ। আবু সাঈদের বুকে পুলিশের গুলি করার দৃশ্য গণতন্ত্রকামী জনগণের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করে। কোটা সংস্কারের দাবি ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে মোড় নেয়। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।</p>
<p style="text-align: justify">‎</p>
<p style="text-align: justify">‎</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.newsadvance24.com/2453/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রায়পুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি, ২ ফার্মেসিকে জরিমানা ‎</title>
		<link>http://www.newsadvance24.com/2451</link>
		<comments>http://www.newsadvance24.com/2451#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>mithu</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[লক্ষ্মীপুর সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsadvance24.com/2451</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/img-20260714-wa0014-thumbnail.jpg" alt="" /></span>‎নিজস্ব প্রতিনিধি, নিউজ এ্যাডভান্স
‎
রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের গাজীনগর বাজারে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে দুই ফার্মেসি মালিককে জরিমানা করা হয়েছে।
‎মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও রায়পুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা  নিগার সুলতানা এ জরিমানা আদায় করেন।
‎এ সময় গাজীনগর বাজারের দীপ্ত ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify">‎নিজস্ব প্রতিনিধি, নিউজ এ্যাডভান্স</p>
<p style="text-align: justify">‎<img src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/img-20260714-wa0014-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p style="text-align: justify">রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের গাজীনগর বাজারে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে দুই ফার্মেসি মালিককে জরিমানা করা হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify">‎মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও রায়পুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা  নিগার সুলতানা এ জরিমানা আদায় করেন।</p>
<p style="text-align: justify">‎এ সময় গাজীনগর বাজারের দীপ্ত মেডিকেল হলের মালিকের ২০হাজার ও রিয়াদ ফার্মেসির মালিকের ৫হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।</p>
<p style="text-align: justify">‎অভিযানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মামুনুর রশিদ, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর লক্ষ্মীপুরের তত্ত্বাবধায়ক এবং রায়পুর থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify">‎অভিযান শেষে দীপ্ত মেডিকেল হল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র নিয়ে পরদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।</p>
<p style="text-align: justify">‎সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিগার সুলতানা বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের মোবাইল কোর্ট অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify">‎</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.newsadvance24.com/2451/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>তিন বছরেও শেষ হয়নি রায়পুর পৌরসভার ড্রেনেজ নির্মান কাজ, ভোগান্তি</title>
		<link>http://www.newsadvance24.com/2449</link>
		<comments>http://www.newsadvance24.com/2449#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>mithu</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[লক্ষ্মীপুর সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsadvance24.com/2449</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/img-20260713-wa0022-thumbnail.jpg" alt="" /></span>মো: আবদুল লতিফ, নিউজ এ্যাডভান্স
‎
রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার ড্রেনেজ নির্মান প্রকল্পের কাজ এক বছরে শেষ করার কথা থাকলেও তা বিগত তিন বছরেও শেষ হয়নি। শহীদ ওসমান চত্ত্বরের ট্রাফিক মোড় থেকে নর্দমা পর্যন্ত এবং নতুনবাজার থেকে মহিলা কলেজ পর্যন্ত সড়কের ড্রেন নির্মানের জন্য দীর্ঘ তিন বছর ধরে চলছে খোঁড়া খুঁড়ি। এতে চরম বিপর্যস্ত হয়ে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify">মো: আবদুল লতিফ, নিউজ এ্যাডভান্স</p>
<p style="text-align: justify">‎<img src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/img-20260713-wa0022-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p style="text-align: justify">রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) : লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার ড্রেনেজ নির্মান প্রকল্পের কাজ এক বছরে শেষ করার কথা থাকলেও তা বিগত তিন বছরেও শেষ হয়নি। শহীদ ওসমান চত্ত্বরের ট্রাফিক মোড় থেকে নর্দমা পর্যন্ত এবং নতুনবাজার থেকে মহিলা কলেজ পর্যন্ত সড়কের ড্রেন নির্মানের জন্য দীর্ঘ তিন বছর ধরে চলছে খোঁড়া খুঁড়ি। এতে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন। তা ছাড়া ড্রেনের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই চলছে সড়ক ও ড্রেন নির্মান কাজ।ফলে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পথচারীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টকর হয়ে উঠেছে।সরজমিন দেখা গেছে গত গাঁচ দিনের টানা বৃষ্টিতে পৌর শহরের ট্রাফিক মোড় থেকে নর্দমা পর্যন্ত সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।প্রকল্পের কাজের জন্য মহিলা কলেজ সড়ক সহ কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,২০২৩ সালের মার্চ মাসে কয়েকটি এলাকায় প্রকল্পের কাজ শুরু করে রায়পুর পৌরসভা।একনেকে অনুমোদন পাওয়ার পর থেকে রায়পুর পৌর শহরের পয়:নিষ্কাসন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।পুরো শহরকে ছয়টি ক্যাচমেন্ট অঞ্চলে ভাগ করে কাজ শুরু করা হয়।তারপরও সময়মত কাজ করতে না পারায় অন্তত সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এ বিষয়ে রায়পুর পৌরসভার উপ-সহকারি প্রকৌশলী মাহমুদুন্নবী বলেন,২০২৩ সালে পৌরসভার অধীনে প্রকল্পের আওতায় নতুনবাজার থেকে মহিলা কলেজ এবং ট্রাফিক মোড় হইতে নর্দমা পর্যন্ত দুটি আধুনিক ড্রেন নির্মান কাজের উদ্যোগ নেওয়া হয়।নতুনবাজার মহিলা কলেজ অংশে প্রায় ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ট্রাফিক মোড় হইতে শায়েস্তানগর নর্দমা পর্যন্ত অংশে ড্রেন ও সড়ক নির্মানে ১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যায়ে প্রকল্পের কার্যাদেশ দেওয়া হয়।২০২৪ সালের জুনে প্রকলের মেয়াদ শেষ হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রহমান ইঞ্জিনিয়ারিং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হয়।যার ফলে দফায় দফায় কাজের মেয়াদ বাড়ানো হয়।অথচ তারা আংশিক কাজ করে প্রায় ৩ কোটি টাকা বিল উত্তোলন করে নেয়।এরপর থেকে প্রায় বন্ধ থাকে কাজ।যার ফলে সামান্য বৃষ্টিতে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। আর খোলা ড্রেনে পড়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথচারীরা।এদিকে ট্রাফিক মোড় থেকে নর্দমা পর্যন্ত সড়ক ও ড্রেন নির্মান প্রকল্পের কাজ পায় ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস। তারাও ধীর গতিতে কাজ করায় পৌর কর্তৃপক্ষ একাধিকবার তাগাদা দিলেও গুরুত্ব দিচ্ছেনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এতে দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখা কাজের কারনে ভোগান্তিতে রয়েছেন পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।বর্ষাকালে ড্রেন খননের কারনে অনেক জায়গায় সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।</p>
<p style="text-align: justify">রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মেহেদী হাসান কাউছার বলেন,ট্রাফিক মোড় হইতে নর্দমা পর্যন্ত ড্রেন ও সড়কের কাজ বৃষ্টির কারনে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে যত দ্রুত সম্ভব কাজ সম্পপ্ন করা হবে।</p>
<p style="text-align: justify">‎</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.newsadvance24.com/2449/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আমার ঘরের ডাক্তার ও বিপদের বন্ধু ডা. আমান</title>
		<link>http://www.newsadvance24.com/2447</link>
		<comments>http://www.newsadvance24.com/2447#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>mithu</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[ঢাকা]]></category>

		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>

		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>

		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsadvance24.com/2447</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/fb_img_1783917675270-thumbnail.jpg" alt="" /></span>‎মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া
‎
২ × ২ গুন করলে চার, ২+২ যোগ করলে চার, তেমনি  সম্পর্ক ও মানবতা  দুইটা মিলে একটি সমীকরণের নাম ডাক্তার আমান। এই ভদ্রলোককে নিয়ে আমার আজকের এই লিখা।  ভদ্রলোক বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা। আমার সাথে এই ভদ্রলোকের পরিচয় ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর দিনকাল পত্রিকা অফিসে আসা যাওয়ার ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify">‎মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া</p>
<p style="text-align: justify">‎<img src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/fb_img_1783917675270-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p style="text-align: justify">২ × ২ গুন করলে চার, ২+২ যোগ করলে চার, তেমনি  সম্পর্ক ও মানবতা  দুইটা মিলে একটি সমীকরণের নাম ডাক্তার আমান। এই ভদ্রলোককে নিয়ে আমার আজকের এই লিখা।  ভদ্রলোক বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা। আমার সাথে এই ভদ্রলোকের পরিচয় ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর দিনকাল পত্রিকা অফিসে আসা যাওয়ার সুবাদে তখন থেকে সুসম্পর্ক। তখন তিনি আজকের মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কর্মরত ছিলেন না। একজন প্রফেশনাল ডাক্তার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তেমনি আমারও ঢাকাতে তেমন বড় কোন সার্কেল ছিল না। বিশেষ করে স্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোনো পরামর্শ, আমার নির্বাচনী এলাকা কুমিল্লা ১০ নাঙ্গলকোট লালমাইয়ের যেকোন লোক স্বাস্থ্য সেবার প্রয়োজন হলে আমি শরণাপন্ন হতাম এই পরোপকারী মানুষটার নিকট । কোন রোগীকে কোন ডাক্তারের কাছে দেখাতে হবে, কোন রোগীকে কোন হাসপাতালে নিতে হবে। সবকিছুর জন্য ঘরের ডাক্তার বিপদের বন্ধু নাম ডাক্তার আমান। বিপদে যে পাশে দাঁড়ায় সে তো আপনজন। আমি তাকে যত দেখি তত মুগ্ধ হই কৃতজ্ঞতার অংশ হিসেবে আজকের এইটুকু লিখা। ভদ্রলোকের এই মানবিক সহযোগিতা আমার রাজনীতির পথ চলাতে এবং জনপ্রতিনিধি হতে  অনেক সহায়ক ভূমিকায় রেখেছে। বর্তমানে সে অনেক দায়িত্ববান এবং ব্যস্ত জীবন যাপন করেন তথাপিও যখন যে অবস্থায় প্রয়োজন মনে করি ঘরের ডাক্তার বিপদের বন্ধু হয়ে পাশে দাঁড়ায়।যার সর্বশেষ দুটি উদাহরণ দিয়ে ভদ্রলোকের প্রতি পুনরায় কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করব (১)গত কয়েকদিন আগে আমার এলাকার  এক যুবদলের কর্মী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয় রাত তখন দেড়টা আমি সে কর্মীকে সাথে নিয়ে ঢাকায় রওয়ানা করে উনাকে ফোন করলাম রোগীটাকে  কোন হাসপাতালে ভর্তি করব ?  ভদ্রলোক জবাব দিল আপনি ঢাকায় এসে  আমাকে কল করেন, আমি সবিনয়ে বললাম আমার আসতে ভোর রাত  হয়ে যাবে আপনি আমাকে সিদ্ধান্ত দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।তিনি প্রতিউত্তরে বললেন আপনি রোগী নিয়ে আগে ঢাকায় আসেন পরে দেখা যাবে আমি কি ঘুমাবো না জেগে থাকবো ? সত্যিই সে রাত জেগে অপেক্ষায় রইলো আমার রুগীর জন্য এবং যথারীতি ভর্তি করিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করল। একেই বলে সম্পর্ক এবং মানবতা। তেমনি দ্বিতীয় আরেকটি ঘটনা গত সপ্তাহে ঢাকা মেডিকেলে আমার এক রোগীর সি সি ইউ  প্রয়োজন আমি রোগীর বিস্তারিত  জানিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। তিনি সারারাত জেগে আমার রোগিনীর বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে চিকিৎসার সকল চেষ্টা করে রাত সাড়ে তিনটায় আমাকে জানায় রোগীর কন্ডিশন খুবই খারাপ ছিল মারা গিয়েছে। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আমি সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে এই মেসেজ দেখতে পেয়ে  জিজ্ঞেস করলাম ডাক্তার আপনি কি সারারাত ঘুমান নাই ? তিনি উনার স্বভাবজাত উত্তর দিলেন ঘুম তো সারা জীবনেই যাওয়া যাবে। আমি মুগ্ধ হয়ে আবার  বললাম ঘরের ডাক্তার বিপদের বন্ধু মানবিক ডাক্তার আমান স্যালুট আপনাকে আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে এবং আমার নির্বাচনী এলাকার অসুস্থ মানুষের পক্ষ থেকে। মানবতার জয়েরমালা আপনার জন্য। ধন্যবাদ ডাক্তার।</p>
<p style="text-align: justify">‎-সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ২৫৮, কুমিল্লা -১০</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.newsadvance24.com/2447/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>কমলনগরে আওয়ামী লীগ নেতার জামায়াতে যোগদান ‎</title>
		<link>http://www.newsadvance24.com/2445</link>
		<comments>http://www.newsadvance24.com/2445#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>mithu</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[লক্ষ্মীপুর সংবাদ]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsadvance24.com/2445</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/img_20260709_152506_381-thumbnail.jpg" alt="" /></span>কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
‎
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আক্তার হোসেন মিলন  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান  করেছেন। বুধবার (৮ জুলাই) বিকালে উপজেলার হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসার অফিস কক্ষে জামায়াতে এমপি প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি  এ আর হাফিজুল্লাহর উপস্থিতিতে দলীয় সদস্য ফরম পূরণের করে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। এ সময় জামায়াত নেতারা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify">কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি</p>
<p style="text-align: justify">‎<img src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/img_20260709_152506_381-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p style="text-align: justify">লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আক্তার হোসেন মিলন  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান  করেছেন। বুধবার (৮ জুলাই) বিকালে উপজেলার হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসার অফিস কক্ষে জামায়াতে এমপি প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি  এ আর হাফিজুল্লাহর উপস্থিতিতে দলীয় সদস্য ফরম পূরণের করে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। এ সময় জামায়াত নেতারা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় আকতার হোসেন মিলন জামায়াতের প্রশংসা করে বলেন, এখন বয়স হয়েছে। বাকি জীবন জামায়াতের সাথে কাটাতে চান তিনি। মিলন তিন বার হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নির্বাচন করে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।</p>
<p style="text-align: justify">‎যোগদান অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা জায়েদ হোসাইন ফারুকী, বর্তমান অধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, জামায়াতের সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা হুমায়ুন কবির,  মাতাব্বরনগর ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আলী হোসাইন এবং স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।</p>
<p style="text-align: justify">‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,  আকতার হোসেন মিলন ২০১১ সালে হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আপন ভগ্নিপতি সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বাছেত হেলালের  সথে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। পরে ২০১৫ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো.  নিজাম উদ্দিনের সাথে ভোটে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে তখনকার জেলা পুলিশ সুপার মিলনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান।  ওই সময় পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে মিলনকে ভোটের মাঠ থেকে উঠিয়ে দেওয়া হয়। তখন সমঝোতার ভিত্তিতে নিজাম উদ্দিনের বড় ভাই মোয়াজ্জেম হোসেনকে হাজিরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পদ থেকে সরিয়ে আকতার হোসেন মিলনকে সভাপতি ঘোষণা করা হয়। এর পর থেকে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয় থাকলেও অল্প কিছুদিন পরেই দলীয় এক চিঠির মাধ্যমে মিলনের সভাপতি পদ কেড়ে নিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন তার ভাই মোয়াজ্জেমকে আবারো সভাপতি ঘোষণা করেন। এরপর ২০২১ সালে মিলন  আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে না পেয়ে আবারও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী নিজাম উদ্দিনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই সময় তার ব্যানার, ফেস্টুন, মাইক ভেঙ্গে দিয়ে মিলনকে ভোটের মাঠে দাড়াতে দেয়নি নিজাম উদ্দিনের লোকজন।</p>
<p style="text-align: justify">‎যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে কমলনগর উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা হুমায়ুন কবির বলেন, আক্তার হোসেন মিলন জামায়াতের নীতি আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে  আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের দলে যোগদান করেছেন। জামায়াতে ইসলামী তা সাদরে গ্রহন করেছেন।</p>
<p style="text-align: justify">‎এ বিষয়ে আক্তার হোসেন মিলন বলেন, বর্তমানে আমার বয়স ৬০ বছর।  বাকি জীবন জামায়াতের সাথে কাটাতে চাই। এখানে আমার ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই।</p>
<p style="text-align: justify">‎</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.newsadvance24.com/2445/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>সলিমুল্লাহ খানকে ঘিরে বিতর্ক: সমালোচনা, প্রতিহিংসা নাকি পারশ্রীকাতরতা?</title>
		<link>http://www.newsadvance24.com/2443</link>
		<comments>http://www.newsadvance24.com/2443#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 30 Nov 1999 00:00:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>mithu</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>

		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.newsadvance24.com/2443</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/dr-mahruf-chowdhury.jpg" alt="" /></span>ড. মাহরুফ চৌধুরী
&#160;
 
বাংলাদেশের জনপরিসরে বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্ক নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারের ফলে এসব বিতর্কের চরিত্র ও প্রকৃতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। কোনো বক্তব্য, মন্তব্য কিংবা ব্যক্তিকে ঘিরে মুহূর্তের মধ্যে সৃষ্টি হয় তর্ক-বিতর্ক, উত্তেজনা, বিভাজন এবং পক্ষে-বিপক্ষে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। সম্প্রতি প্রায় দুই বছর আগে দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সলিমুল্লাহ খানকে ঘিরে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ড. মাহরুফ চৌধুরী</p>
<p style="text-align: justify">&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify"> <img src="http://www.newsadvance24.com/cloud/archives/2026/07/dr-mahruf-chowdhury.jpg" alt="---" /></p>
<p style="text-align: justify">বাংলাদেশের জনপরিসরে বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্ক নতুন কোনো বিষয় নয়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারের ফলে এসব বিতর্কের চরিত্র ও প্রকৃতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। কোনো বক্তব্য, মন্তব্য কিংবা ব্যক্তিকে ঘিরে মুহূর্তের মধ্যে সৃষ্টি হয় তর্ক-বিতর্ক, উত্তেজনা, বিভাজন এবং পক্ষে-বিপক্ষে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। সম্প্রতি প্রায় দুই বছর আগে দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সলিমুল্লাহ খানকে ঘিরে যে বিতর্কের ঝড় উঠেছে, সেটিও এমন এক বাস্তবতারই অংশ। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই আক্রমণের প্রকৃত কারণ কি কেবল একটি পুরোনো মন্তব্য, নাকি এর পেছনে আরও গভীর রাজনৈতিক, মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট কাজ করছে? বুদ্ধিবৃত্তিক সততার দাবি হলো, একজন চিন্তাবিদকে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর কোনো বিচ্ছিন্ন মন্তব্য নয়, বরং তাঁর সামগ্রিক বুদ্ধিবৃত্তিক যাত্রা ও চিন্তার ধারাকে বিবেচনায় নিতে হবে। কারণ চিন্তাবিদেরা সাধারণত সংবাদ শিরোনাম তৈরির জন্য চিন্তা করেন না; তাঁরা সময়, সমাজ, রাষ্ট্র ও সভ্যতার দীর্ঘমেয়াদি প্রশ্নগুলো নিয়ে কাজ করেন। তাঁদের কোনো কোনো বক্তব্য বিতর্কিত হতে পারে, কোনো কোনো বিশ্লেষণ ভুলও প্রমাণিত হতে পারে; কিন্তু তাঁদের মূল্যায়নের প্রধান মাপকাঠি হওয়া উচিত তাঁদের চিন্তার সামগ্রিকতা, জ্ঞানচর্চার গভীরতা, প্রেক্ষিত সচেতনতা (স্থান, কাল ও পাত্র) এবং সমাজে নতুন প্রশ্ন উত্থাপনের সক্ষমতা।</p>
<p style="text-align: justify">বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে সলিমুল্লাহ খানকে (১৯৫৮-) এই প্রেক্ষাপটেই দেখা প্রয়োজন। তিনি কেবল একজন শিক্ষক বা বক্তা নন; সময়ের প্রবাহে তিনি একটি স্বতন্ত্র বুদ্ধিবৃত্তিক ধারা বা চিন্তাপদ্ধতির (স্কুল অব থটস) পুরোধায় পরিণত হয়েছেন। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইতিহাস, সাহিত্য, রাষ্ট্রচিন্তা, দর্শন, নৃবিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও রাজনীতি নিয়ে তাঁর আলোচনা বাংলা ভাষার জ্ঞানভুবনে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছে। তাঁর বক্তব্য ও বিচার-বিশ্লেষণের সঙ্গে একমত হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তু বাংলাদেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিসরে তাঁর প্রভাব ও গুরুত্ব অস্বীকার করা কঠিন। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রায় সব যুগেই স্বাধীনচেতা চিন্তাবিদরা তাঁদের সময়ে নানা ধরনের আক্রমণ, বিরোধিতা ও সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন। গ্রীক দার্শনিক সক্রেটিসকে (৪৭০-৩৯৯ খ্রীস্টপূর্ব) রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ইটালীয় বিজ্ঞানী গ্যালিলিওকে (১৫৬৪-১৬৪২) ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের সামনে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে হয়েছিল। মরোক্কীয় বংশোদ্ভুত স্প্যানীয় মুসলিম দার্শনিক ও সমাজবিজ্ঞানী ইবনে রুশদ (১০৫৮-১১২৬) নির্বাসিত হয়েছিলেন। জার্মান অর্থনীতিবিদ কার্ল মার্কস (১৮১৮-১৮৮৩) তাঁর জীবনের বড় একটি অংশ রাজনৈতিক নিপীড়ন ও নির্বাসনের মধ্যে কাটিয়েছেন। নোম চমস্কিও (১৯২৮-) দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয় ও করপোরেট ক্ষমতার সমালোচনার কারণে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করেছেন। অবশ্য তাঁদের প্রত্যেকের চিন্তা, অবদান ও ঐতিহাসিক অবস্থান ভিন্ন। কিন্তু একটি জায়গায় তাঁরা অভিন্ন, আর সেটি হলো তাঁরা প্রত্যেকেই কোনো না কোনোভাবে প্রচলিত ক্ষমতাকাঠামোর স্বস্তি ও প্রতিষ্ঠিত বয়ানকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন।</p>
<p style="text-align: justify">বাংলাদেশেও যারা প্রতিষ্ঠিত বয়ান ও প্রচলিত ব্যাখ্যাকে প্রশ্ন করেন, তাঁদের প্রায়ই সমালোচনা ও বিতর্কের মুখোমুখি হতে হয়। সলিমুল্লাহ খান দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতা, আধিপত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও জাতীয় পরিচয়ের প্রচলিত ব্যাখ্যাগুলোকে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। ফলে তাঁকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত, প্রায় দুই বছর আগের একটি মন্তব্য কেন এত বড় রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হলো? এর প্রথম কারণটি রাজনৈতিক। গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশের ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি সম্পর্কে তিনি ধারাবাহিকভাবে সমালোচনামূলক অবস্থান গ্রহণ করেছেন। রাষ্ট্র, সরকার, রাজনৈতিক দল ও ক্ষমতাকাঠামোর নানা অসংগতি নিয়ে তিনি প্রকাশ্যে নিজস্ব মতামত দিয়েছেন। রাজনৈতিক তত্ত্বের আলোকে দেখা যায়, ক্ষমতার সমালোচকেরা সাধারণত ক্ষমতার অনুগত বা সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর কাছে গ্রহণযোগ্য হন না। ফলে রাজনৈতিক বাস্তবতার পরিবর্তন ঘটলেও তাঁদের প্রতি বিরূপতা বা অসন্তোষ দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান থাকতে পারে এবং অনুকূল পরিবেশ-পরিস্থিতিতে তার প্রকাশ আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠতে পার।</p>
<p style="text-align: justify">দ্বিতীয় কারণটি আরও গুরুত্বপূর্ণ ও সমাজমনস্তস্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়লে তারা প্রায়ই একটি অভিন্ন প্রতিপক্ষকে কেন্দ্র করে নিজেদের পুনর্গঠনের চেষ্টা করে। সমাজবিজ্ঞান ও রাজনৈতিক মনোবিজ্ঞানে এ ধরনের প্রবণতাকে ‘অভিন্ন শত্রুর প্রভাব&#8217; (কমন এনিমি ইফেক্ট) হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। সাধারণ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠীগুলো নিজেদের মধ্যে সাময়িক ঐক্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ পায়। বর্তমান বিতর্ক পর্যবেক্ষণ করলে মনে হয়, দীর্ঘদিন ধরে জনপরিসরে প্রভাবহীন বা প্রান্তিক অবস্থানে থাকা কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী এই বিতর্ককের মাধ্যমে নিজেদের পুনরায় দৃশ্যমান করার উপলক্ষ হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করছেন। তাঁরা যেন তাদের অস্তিত্ব ঘোষণা করে বলতে চাইছেন, ‘আমরা এখনও আছি&#8217;। এ ধরনের পরিস্থিতিতে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার জন্য একজন পরিচিত ও আলোচিত চিন্তাবিদকে কেন্দ্র করে অবস্থান গ্রহণ করা রাজনৈতিক ও সামাজিক কৌশলগত সুবিধা তৈরি করতে পারে।</p>
<p style="text-align: justify">তৃতীয় কারণটি মানবমনের গভীরে প্রোথিত বিশেষ প্রবণতা, যাকে আমরা বাংলায় পারশ্রীকাতরতা বলে থাকি। গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল মানুষের একটি স্বাভাবিক দুর্বলতার কথা উল্লেখ করেছিলেন, সেটা হলো অন্যের সাফল্য বা মর্যাদা লাভে অস্বস্তি বোধ করা। আধুনিক মনোবিজ্ঞানও দেখিয়েছে, ব্যক্তি যখন নিজের অর্জনের তুলনায় অন্যের সামাজিক প্রভাব বা গ্রহণযোগ্যতাকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে অনুভব করে, তখন ঈর্ষা, বিরূপতা ও প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা জন্ম নিতে পারে। শেখ মুজিবুর রহমানের (১৯২০-১৯৭৫) আত্মজীবনীতেও বাঙালি সমাজে এপ্রবণতার প্রাবল্যের বিষয়টি তিনি তুলে ধরেছেন, ‘পরশ্রীকাতরতা এবং বিশ্বাসঘাতকতা আমাদের রক্তের মধ্য রয়েছে। বোধহয় দুনিয়ার কোন ভাষায়ই এই কথাটা পাওয়া যাবে না, ‘পরশ্রীকারতা&#8217;। পরের শ্রী দেখে যে কাতর হয়, তাকে ‘পরশ্রীকাতর&#8217; বলে। ঈর্ষা, দ্বেষ সকল ভাষায়ই পাবেন, সকল জাতির মধ্যেই কিছু কিছু আছে, কিন্তু বাঙালিদের মধ্যে আছে পরশ্রীকাতরতা&#8217;। জ্ঞানচর্চার জগতে এই প্রবণতা আরও সূক্ষ্মভাবে কাজ করে। কারণ এখানে প্রতিযোগিতা হয় দৃশ্যমান সম্পদ নিয়ে নয়; বরং প্রভাব, গ্রহণযোগ্যতা, অনুসারী গোষ্ঠী ও বুদ্ধিবৃত্তিক মর্যাদা নিয়ে। বাংলাদেশের বাস্তবতায় এমন মানুষের সংখ্যা খুব বেশি নয়, যাঁদের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ আলোচনা সৃষ্টি হয়, যাঁদের লেখালেখি ও বক্তৃতা  বিপুলসংখ্যক পাঠক-স্রোতার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, কিংবা যাঁদের বিশ্লেষণ জনপরিসরে নতুন বিতর্ক ও চিন্তার জন্ম দেয়। ফলে এমন ব্যক্তিত্বকে ঘিরে ঈর্ষা, অস্বস্তি বা বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়া সমাজমনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে অস্বাভাবিক নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সেই প্রবণতাকে আরও দৃশ্যমান করে তুলেছে।</p>
<p style="text-align: justify">চতুর্থ কারণ হিসেবে প্রতিহিংসাপরয়ণতার বিষয়টিও বিবেচনায় আনা যেতে পরে। যে কোনো জনবুদ্ধিজীবী তাঁর বিশ্লেষণ, সমালোচনা ও অবস্থানের মাধ্যমে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অস্বস্তিতে ফেলবেন, এটাই স্বাভাবিক। সলিমুল্লাহ খানও দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সাহিত্যিক, ভাষাতাত্ত্বিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও বুদ্ধিবৃত্তিক নানা অবস্থানের সমালোচনামূলক পর্যালোচনা করেছেন। ফলে এমন অনেক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী থাকতে পারে, যারা তাঁর বক্তব্য বা বিশ্লেষণের কারণে নিজেদের সমালোচনার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করে। বর্তমান বিতর্ক তাঁদের কাছে পূর্ববর্তী ক্ষোভ বা অসন্তোষ প্রকাশের একটি সুযোগ হিসেবে প্রতিভাত হতে পারে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, দেশের বিভিন্ন সংকটময় সময়ে তিনি সাধারণত নীরব দর্শকের ভূমিকায় থাকেননি। বিশেষত ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-আন্দোলন এবং পরবর্তী রাজনৈতিক টানাপোড়েনের সময় তিনি তাঁর অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছিলেন। তাঁর বিচার-বিশ্লেষণের সঙ্গে মতভেদ থাকা স্বাভাবিক; তবে ঝুঁকি সত্ত্বেও তিনি প্রকাশ্যে স্বৈরাচারী আচরণের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করেছেন, এ কথা অস্বীকার করা কঠিন। ইতিহাস বলে, সংকটের সময়ে নীরব থাকা তুলনামূলক সহজ; কিন্তু বিদ্যমান ক্ষমতার বিপরীতে অবস্থান নেওয়া অনেক বেশি কঠিন। সে কারণেই কোনো চিন্তাবিদকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কেবল তাঁর বক্তব্যের জনপ্রিয়তা নয়, তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক সততা, নৈতিক দায়বদ্ধতা এবং মত প্রকাশের সাহসকেও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।</p>
<p style="text-align: justify">তবে এ কথাটিও সত্য যে, কোনো চিন্তাবিদই সমালোচনার ঊর্ধ্বে নন। বুদ্ধিবৃ্ত্তিক অঙ্গনের একজন সক্রিয় চিন্তাকর্মী হিসেবে সলিমুল্লাহ খানের বক্তব্য, বিচার-বিশ্লেষণ কিংবা রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন, সমালোচনা এবং মতভেদ থাকা স্বাভাবিক। গণতান্ত্রিক সমাজে এসবই সুস্থ বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার অংশ। কিন্তু সমালোচনা এবং চরিত্রহননের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। সমালোচনা গড়ে ওঠে যুক্তি, তথ্য ও বিচার-বিশ্লেষণের ভিত্তিতে। অন্যদিকে আক্রমণ প্রায়ই পরিচালিত হয় আক্রোশ, বিদ্বেষ কিংবা পূর্বধারণা থেকে। আলোচন ও সমালোচনা চিন্তার বিকাশ ঘটায়, নতুন প্রশ্নের জন্ম দেয় এবং সমাজকে আত্মসমালোচনার সুযোগ করে দেয়। বিপরীতে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও বিদ্বেষমূলক প্রচারণা বিভাজনকে গভীরতর করে এবং জনপরিসরে সুস্থ বিতর্কের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। একটি সুস্থ ও পরিণত উক্তিটির ঐতিহাসিক উৎস নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এর অন্তর্নিহিত চেতনা গণতান্ত্রিক সমাজে ব্যক্তি বিরুদ্ধে নয়, বরং ধারণা, যুক্তি ও অবস্থানের সমালোচনাই হওয়া উচিত প্রধান পদ্ধতি। ফরাসি দার্শনিক ভলতেয়ারের নামে প্রচলিত একটি বিখ্যাত বক্তব্য রয়েছে, ‘আমি আপনার কথার সঙ্গে একমত নাও হতে পারি, কিন্তু আপনার কথা বলার অধিকার রক্ষার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়ব&#8217;। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি একটি মৌলিক ভিত্তিকে ধারণ করে। আমরা কারও বক্তব্যের বিরোধিতা করতে পারি, কিন্তু সেই বিরোধিতা যদি ব্যক্তিগত আক্রোশ-আক্রমণ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা ঈর্ষাপ্রসূত ক্ষোভপ্রসূত ক্ষোভ দ্বার পরিচালিত হয়, তবে তা জ্ঞানচর্চা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সংস্কৃতির বিকাশে সহায়ক হয় না।</p>
<p style="text-align: justify">সময়ের নিজস্ব একটি বিচার প্রক্রিয়া রয়েছে যা কালের বিবর্তনে গ্রহণ-বর্জনের মাধ্যমে এগিয়ে চলে। সাময়িক উত্তেজনা, রাজনৈতিক শোরগোল কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষণস্থায়ী আলোড়ন সময়ের প্রবাহে ম্লান হয়ে যায়। কিন্তু যে চিন্তা সমাজকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়, যে প্রশ্ন প্রচলিত ধারণাকে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানায়, এবং যে বুদ্ধিবৃত্তিক উদ্যোগ নতুন বিতর্ক ও অনুসন্ধানের পথ খুলে দেয়, সেগুলো দীর্ঘ সময় ধরে প্রভাব বিস্তার করে। ইতিহাসের দীর্ঘ পরিসরে ব্যক্তি নয়, বরং ব্যক্তির চিন্তা, কর্ম ও অবদানই অধিক স্থায়ী হয়ে ওঠে। সলিমুল্লাহ খানকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের মূল্যায়নও তাই তাঁর কোনো বিচ্ছিন্ন মন্তব্যের আলোকে নয়, বরং তাঁর সামগ্রিক বুদ্ধিবৃত্তিক অবদান, চিন্তার পরিসর এবং জনপরিসরে উত্থাপিত প্রশ্নগুলোর প্রেক্ষাপটে হওয়া প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত হওয়া যেমন বাধ্যতামূলক নয়, তেমনি তাঁর চিন্তাকে অগ্রাহ্য করাও সহজ নয়। গত কয়েক দশকে ইতিহাস, সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাষ্ট্রচিন্তা ও রাজনীতি নিয়ে তাঁর যে আলোচনা ও বিচার-বিশ্লেষণ বাংলা ভাষার জ্ঞানভান্ডারে সংযোজিত হয়েছে, তা তাঁকে সমকালীন বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসরের একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।</p>
<p style="text-align: justify">আমাদের মনে রাখতে হবে যে, সমাজের কিছু মানুষ রাজনীতি করেন, কিছু মানুষ ইতিহাস নির্মাণ করেন, আর কিছু মানুষ নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস বুঝতে শেখান। বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসরে সলিমুল্লাহ খান নিঃসন্দেহে সেই শেষোক্ত বিরল শ্রেণির অন্যতম প্রতিনিধি। পরিশেষে নেপোলিয়ান বোনাপাটের একটি বিশেষ উক্তি দিয়েই শেষ করতে চাই। তিনি বলেছেন, ‘এমন কিছু কর যা লিখে রাখার যোগ্য অথবা এমন কিছু লেখ যা পড়ার যোগ্য&#8217;। বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসরে সলিমুল্লাহ খান দু&#8217;টো কর্মই করেছেন। তাঁকে নিয়ে মতভেদ থাকতে পারে, সমালোচনা থাকতে পারে, তর্ক-বিতর্ক থাকতে পারে; কিন্তু তাঁর মূল্যায়ন হওয়া উচিত জ্ঞান, যুক্তি, গবেষণা, বুদ্ধিবৃত্তিক সততা ও সমাজে তাঁর চিন্তার প্রভাবের আলোকে। কারণ ব্যক্তি-বিদ্বেষের রাজনীতি সাধারণত ক্ষণস্থায়ী; কিন্তু চিন্তার জগতে টিকে থাকে সেইসব প্রশ্ন ও ধারণা, যা মানুষকে নতুন করে ভাবতে শেখায়। আর ইতিহাস ও সভ্যতা শেষ পর্যন্ত কেবল কোলাহলকে নয়, বরং চিন্তার ধারাকে অধিক গুরুত্ব দেয়।</p>
<p style="text-align: justify">ড. মাহরুফ চৌধুরী, ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, ইউনিভার্সিটি অব রোহ্যাম্পটন, যুক্তরাজ্য। Email: mahruf@ymail.com</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.newsadvance24.com/2443/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
